খুঁজুন
শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬, ২৪ শ্রাবণ, ১৪৩৩

ঢেঁকি দিয়ে দরজা ভেঙে শ্রীপুরে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ আগস্ট ২০২৬, ১১:৩০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢেঁকি দিয়ে দরজা ভেঙে শ্রীপুরে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

ছবিতে ডাকাতিতে ব্যবহৃত ঢেঁকি

নিজস্ব প্রতিবেদক | শ্রীপুর গাজীপুর :

গাজীপুরের শ্রীপুরে প্রায় ৩৫ বছর আগের পুরনো কৌশল ব্যবহার করে সংঘটিত হয়েছে এক দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা। গ্রাম বাংলার বিলুপ্তপ্রায় ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি দিয়ে বাড়ির প্রধান দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে ডাকাতরা প্রায় ৪০ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থ ও অন্যান্য মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) গভীর রাতে উপজেলার গোসিংগা ইউনিয়নের পাঁচুলটিয়া গ্রামের ছামাদ মোল্লার বাড়িতে।

ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতের আঁধারে ৮ থেকে ১০ জনের একটি মুখোশধারী সশস্ত্র ডাকাত দল বাড়িতে হানা দেয়। তারা প্রথমে বাইরে থেকে ভারী কাঠের ঢেঁকি দিয়ে বাড়ির প্রধান কাঠের দরজায় বারবার আঘাত করে দরজা ভেঙে ফেলে। পরে ঘরে ঢুকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে ফেলে।

ডাকাতরা প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে বাড়ির বিভিন্ন কক্ষ তছনছ করে। এ সময় তারা ১৭ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা, মোবাইল ফোনসহ আনুমানিক ৪০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
ডাকাত দল চলে যাওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা স্থানীয়দের সহায়তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে খবর দেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একসময় গ্রাম বাংলায় ধান ভানার কাজে ঢেঁকির ব্যাপক ব্যবহার থাকলেও আধুনিক যন্ত্রপাতির কারণে এটি এখন প্রায় বিলুপ্ত। এমন একটি ভারী কাঠের সরঞ্জামকে ডাকাতির সময় দরজা ভাঙার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত এবং অভিযান চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা দ্রুত ডাকাতদের গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং এলাকায় রাতের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

ঢেঁকি দিয়ে দরজা ভেঙে শ্রীপুরে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ আগস্ট ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
ঢেঁকি দিয়ে দরজা ভেঙে শ্রীপুরে দুর্ধর্ষ ডাকাতি

ছবিতে ডাকাতিতে ব্যবহৃত ঢেঁকি

নিজস্ব প্রতিবেদক | শ্রীপুর গাজীপুর :

গাজীপুরের শ্রীপুরে প্রায় ৩৫ বছর আগের পুরনো কৌশল ব্যবহার করে সংঘটিত হয়েছে এক দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা। গ্রাম বাংলার বিলুপ্তপ্রায় ঐতিহ্যবাহী ঢেঁকি দিয়ে বাড়ির প্রধান দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে ডাকাতরা প্রায় ৪০ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার, নগদ অর্থ ও অন্যান্য মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে।

ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) গভীর রাতে উপজেলার গোসিংগা ইউনিয়নের পাঁচুলটিয়া গ্রামের ছামাদ মোল্লার বাড়িতে।

ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতের আঁধারে ৮ থেকে ১০ জনের একটি মুখোশধারী সশস্ত্র ডাকাত দল বাড়িতে হানা দেয়। তারা প্রথমে বাইরে থেকে ভারী কাঠের ঢেঁকি দিয়ে বাড়ির প্রধান কাঠের দরজায় বারবার আঘাত করে দরজা ভেঙে ফেলে। পরে ঘরে ঢুকে দেশীয় অস্ত্রের মুখে পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে ফেলে।

ডাকাতরা প্রায় আধা ঘণ্টা ধরে বাড়ির বিভিন্ন কক্ষ তছনছ করে। এ সময় তারা ১৭ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা, মোবাইল ফোনসহ আনুমানিক ৪০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
ডাকাত দল চলে যাওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা স্থানীয়দের সহায়তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে খবর দেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, একসময় গ্রাম বাংলায় ধান ভানার কাজে ঢেঁকির ব্যাপক ব্যবহার থাকলেও আধুনিক যন্ত্রপাতির কারণে এটি এখন প্রায় বিলুপ্ত। এমন একটি ভারী কাঠের সরঞ্জামকে ডাকাতির সময় দরজা ভাঙার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত এবং অভিযান চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা দ্রুত ডাকাতদের গ্রেপ্তার, দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং এলাকায় রাতের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

শ্রীপুরে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে বাড়ির মালিকসহ আটক ৮

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৮ আগস্ট ২০২৬, ১২:৩৯ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
শ্রীপুরে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে বাড়ির মালিকসহ আটক ৮

পুলিশ পিক-আপে আটককৃতরা।

মো.  সজিব : জেলা প্রতিনিধি, গাজীপুর :

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগে পরিচালিত অভিযানে ৩ নারী, ৪ জন খদ্দের এবং বাড়ির মালিক মোস্তফা কামালসহ মোট ৮ জনকে আটক করেছে শ্রীপুর থানা পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই বাড়িতে অসামাজিক কার্যকলাপ চলছিল বলে অভিযোগ ছিল। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকাবাসী অভিযুক্তদের হাতেনাতে আটক করে শ্রীপুর থানা পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের হেফাজতে নেয়।

এদিকে, অভিযুক্ত বাড়ির মালিক মোস্তফা কামাল নিজেকে বিএনপির নেতা হিসেবে পরিচয় দিলেও স্থানীয়দের দাবি, গত ৫ আগস্টের পর থেকে তিনি নিজেকে দলের লোক হিসেবে পরিচয় দিয়ে আসছিলেন। তবে স্থানীয় বিএনপির সঙ্গে তার কোনো আনুষ্ঠানিক পদ-পদবির সম্পৃক্ততা ছিল না বলেও জানান তারা।

শ্রীপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রাথমিক তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বার্তা বিভাগ | যোগফল অনলাইন 

‘আমার ভালোবাসা মিথ্যা ছিল না’— ফেসবুকে শেষ বার্তা, প্রেমিকার বিয়ের দিন মিলল যুবকের মরদেহ

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৭ আগস্ট ২০২৬, ৫:১০ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
‘আমার ভালোবাসা মিথ্যা ছিল না’— ফেসবুকে শেষ বার্তা, প্রেমিকার বিয়ের দিন মিলল যুবকের মরদেহ

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় প্রেমিকার বিয়ের দিন রাকিব প্রামাণিক (২২) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) উপজেলার রায়দৌলতপুর ইউনিয়নের জটিবাড়ি গ্রামের একটি আমবাগান থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনার আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া তার একাধিক পোস্ট ঘিরে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাকিবের ফেসবুক পোস্টে বিদায়ী বার্তা দেখে কয়েকজন তাকে খুঁজতে গিয়ে আমবাগানের ভেতরে তার মরদেহ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে কামারখন্দ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং আইনি কার্যক্রম শুরু করে।

মৃত্যুর আগে দেওয়া এক পোস্টে রাকিব লিখেছেন, “আমার ভালোবাসা মিথ্যা ছিল না। আমি আর নিতে পারতেছি না। আমাকে ক্ষমা করে দিয়েন সবাই।” একই পোস্টে তিনি পরিবারের একজনের উদ্দেশে মরদেহ যেন ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফনের ব্যবস্থা করা হয়—এমন অনুরোধও জানান।

আরেকটি পোস্টে তিনি দাবি করেন, দীর্ঘদিন ধরে এক তরুণীর সঙ্গে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তবে পরিবারের সিদ্ধান্তে ওই তরুণীকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে অন্যত্র বিয়ে দেওয়া হচ্ছে। নিজের মৃত্যুর জন্য তিনি ওই তরুণীর পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে দায়ী বলেও উল্লেখ করেন।

এর কয়েক ঘণ্টা পর দেওয়া আরেকটি পোস্টে বাবা-মায়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে রাকিব লেখেন, “তোমাদের না জানিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি। আমাকে ক্ষমা করে দিও। আল্লাহ তুমি আমাকে মাফ করো।” তার এসব পোস্ট দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে পোস্টে উল্লেখ থাকা তরুণীর এক আত্মীয় জানান, রাকিবের সঙ্গে ওই তরুণীর সম্পর্ক ছিল কি না, সে বিষয়ে তাদের নিশ্চিত কোনো তথ্য নেই। তিনি আরও বলেন, কীভাবে তার মোবাইল নম্বর রাকিব পেয়েছিলেন, সেটিও তাদের জানা নেই।

ঘটনার পর এলাকায় শোকের পাশাপাশি নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ বিষয়ে রাকিবের পরিবারের সদস্যরা কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাশমত আলী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করেছে। ময়নাতদন্তসহ প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

সাদিয়া পারভিন / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম